আজ || বৃহস্পতিবার, ২৫ Jun ২০২৬
শিরোনাম :
  গোপালপুরে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের বিদায় সংবর্ধনা       গোপালপুর প্রেসক্লাবের সংবাদকর্মীদের সঙ্গে নবাগত ইউএনও’র মতবিনিময়       গোপালপুরসহ সারাদেশে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন       গোপালপুরে কমিউনিটি পুলিশিংয়ের উদ্যোগে মাদকবিরোধী সভা অনুষ্ঠিত       তালের শাঁস বিক্রি করে সচ্ছলতার মুখ দেখছেন গোপালপুরের রবি       গোপালপুর পৌরসভায় কোরবানির বর্জ্য শতভাগ অপসারণ       মনে পড়ে ব্রহ্মপুত্র নদীপাড়ের রানার মানিকের কথা       গোপালপুরে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপন       শিপন রানা ৪৬তম বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারে প্রথম       নুরানী তালিমুল কুরআন বোর্ড বাংলাদেশের প্রশিক্ষণ কর্মশালা    
 


গোপালপুরে চতুর্থ শ্রেণীর স্কুল ছাত্রীকে গণধর্ষণ; ধর্ষক ও সহযোগি গ্রেফতার

কে এম মিঠু, গোপালপুর :

টাঙ্গাইলের গোপালপুরে চতুর্থ শ্রেণীর এক স্কুল ছাত্রীকে পালাক্রমে গণধর্ষণের পর ধর্ষনের ভিডিও ছড়িয়ে দেয়ার হুমকি দিয়ে দুই লক্ষ টাকা দাবির অভিযোগে এক ধর্ষক ও তার সহযোগিকে আজ বৃহস্পতিবার (২৮ জুন) থানা পুলিশ গ্রেফতার করেছে।

গোপালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হাসান আল মামুন জানান, বাবামার বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে যাওয়ায় পর বিধবা নানীর কাছে থেকে উপজেলার উত্তর পাথালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণীতে ওই ছাত্রী লেখাপড়া করতো। গত ১৬ এপ্রিল ওই ছাত্রী উত্তর পাথালিয়া গ্রামের পড়শি ফজলু মিয়ার বাড়ির ফ্রিজে রাখা দুধ আনতে যায়। ফজলু মিয়ার স্ত্রী জোছনা বেগমের যোগসাজশে একই গ্রামের হাসেন আলীর পুত্র মজনু (৩০) এবং শামসুল হকের পুত্র সোহাগ (১৫) ভিক্টিমকে কৌশলে ঘরে আটকিয়ে পালাক্রমে গণধর্ষণ করে। এসময়ে তারা গণধর্ষনের দৃশ্য মোবাইলে ভিডিও করে রাখে। ধর্ষকরা প্রভাবশালী হওয়ায় এবং প্রাণনাশের হুমকি দেয়ায় ভিক্টিমের দরিদ্র নানী সাহেরা বেগম ঘটনাটি বাধ্য হয়ে চেপে যান। পরে গোপনে স্থানীয়ভাবে ঐ ধর্ষিতা ছাত্রীকে চিকিৎসা দেয়া হয়।

ধর্ষিতার মা লাভলী বেগম অভিযোগ করেন, তাদের দারিদ্রতা ও অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে ধর্ষকরা পুনরায় শিশুটিকে তাদের হাতে তুলে দেয়ার জন্য বাড়িতে এসে হুমকিধামকী দিতে থাকে। এমতাবস্থায় শিশুটির  স্কুলে যাওয়া বন্ধ হয়ে যায়। পরে নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে ধর্ষিতা শিশুটিকে টাঙ্গাইল শহরের এক আত্মীয় বাড়িতে নিয়ে লুকিয়ে রাখা হয়।

গত ৯ জুন ধর্ষকরা ধর্ষিতা শিশুর নানী বাড়ি গিয়ে নানী সাহেরা বেগমের হাতে ধর্ষনের প্রমাণ হিসাবে একটি মোবাইলের মেমোরি কার্ড গছিয়ে দেয়।

আজ বৃহস্পতিবার ধর্ষিতার মা লাভলী বেগম তিনজনকে আসামী করে গোপালপুর থানায় গণধর্ষণ ও পর্ণগ্রাফি আইনে মামলা দায়ের করেন। পুলিশ অভিযান চালিয়ে ধর্ষক মজনু এবং সহযোগি জোছনা বেগমকে গ্রেফতার করে। অপর ধর্ষক সোহাগ পলাতক রয়েছে বলে জানান থানা পুলিশ। মামলাটি তদন্ত করছেন ওসি (তদন্ত) সোহরাব হোসেন।

মন্তব্য করুন -


Top
error: Content is protected !!